Register Now

Login


Lost Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Login


Register Now

Welcome to Our Site. Please register to get amazing features .

Digital Forensic – ডিজিটাল ফরেনসিক খুটিনাটি, ক্যারিয়ার পর্ব-০১

ফরেনসিক সায়েন্স বলতে সাধারণত মানুষ মরলে বা কেউ ডিজিটাল অপরাধ করলে সে অপরাধ বা দুর্ঘটনাস্থল থেকে ঘটনা সম্পর্কিত নানারকম টুলস ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করাকে বুঝায়। এক কথায় ফরেনসিক সায়ন্সকে ময়না তদন্ত বলা যেতে পারে। এই লেখাটি সাইবার অপরাধে ডিজিটাল ফরেনসিক সায়েন্স নিয়ে। ডিজিটাল ফরেনসিক কি?কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোন ডিজিটাল কোন ডিভাইস ব্যবহার করে কোন অপরাধ সংগঠিত হলে স্মার্ট ডিভাইস বা কম্পিউটার ফরেনসিক করা হয়। একইভাবে খুন হলে মৃতদেহ পরীক্ষা করার পাশাপাশি তার কম্পিউটার ও স্মার্ট ফোনেরও ফরেনসিক করা হয়। অর্থাৎ, মৃত্যু/অপরাধ সংগঠিত হওয়ার সময়ে/আগে ভিক্টিম/অপরাধীর সাথে কারো যোগাযোগ হয়েছিল কি না তা ভিক্টিম/অপরাধীর সংরক্ষিত ডেটা, কল লিস্ট, রেকর্ড, ফোন বুকসহ সব কিছুই খুটিয়ে দেখা হয়। কারো সাথে ইমেইল আদান প্রদান করে থাকলে তা দেখা হয়। ঘটনার শুরু থেকে থেকে শেষ পর্যন্ত যা করেছে তা ভিক্টিম/আসামীর কম্পিউটার-স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে সকল তথ্য রিকভারি করে প্রাসঙ্গিক তথ্য খুঁজে বের করা হয়। এমনকি ডিলেট করা অডিও, ভিডিও, কল লিস্ট, ইমেইল ইউজার নেম পাসওয়ার্ড ইত্যাদিও রিকভার করা যায়। এটি ডিজিটাল ফরেনসিক সায়ন্স নামে পরিচিত। আপনি কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোন দিয়ে কিছু করে তা মুছে দিলেও ফরেনসিক ডিভাইসের মাধ্যমে তা উদ্ধার করা সম্ভব। এ ছাড়াও সাইবার অপরাধে ডিজিটাল ফরেনসিক সায়েন্সের মাধ্যমে অপরাধী সনাক্ত করা সম্ভব। কম্পিউটার ফরেনসিক বনাম কম্পিউটার সিকিউরিটি: যদিও কম্পিউটার ফরেন্সিক প্রায়ই কম্পিউটার সিকিউরিটির সাথে যুক্ত থাকে, তবে দুটি ভিন্ন। কোথাও একটি অননুমোদিত অ্যাক্সেস বা ব্যবহার ঘটার পর কম্পিউটার ফরেনসিক প্রাথমিকভাবে একটি ডিজিটাল প্রমাণের সঠিক অধিগ্রহণ, সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণের করে। আর অননুমোদিত অ্যাক্সেসের অথবা সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ হিসাবে, পাশাপাশি কম্পিউটার সিস্টেমের গোপনীয়তা, সততা এবং প্রাপ্যতা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কম্পিউটার সিকিউরিটি ব্যবহার করা হয়। যাইহোক, কম্পিউটার নিরাপত্তা এবং কম্পিউটার ফরেনসিক একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। কম্পিউটার নিরাপত্তায় বা সাইবার অপরাধ ঠেকাতে সাধারণত কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক এবং অন্যান্য ডিভাইসগুলির অ্যাক্সেস এবং ব্যবহারে যথাযথ নিয়ন্ত্রণই কম্পিউটারের ফরেনসিক। সাইবার অপরাধ যেভাবে হতে পারে: একজন হ্যাকারকে আপনি অভিনেতার সাথে তুলনা করতে পারেন। সুপারস্টার শাহরুখ খানকে সবাই চিনেন বা তার অভিনীত ছবি সবাই মনে হয় দেখেছেন। কখনও চোর, কখনও ডাকাত, কখনও পুলিশ, কখনও ভাল মানুষ, কখনও শিক্ষক কখনও আবার ছাত্র। একাধিক চরিত্রের মূলে একটাই উদ্দশ্য “টাকা”। টাকার জন্য তারা মানুষের সামনে চাষা-মজুর থেকে সুরু করে শিল্পপতি পর্যন্ত হয়ে থাকেন। এগুলো সবই মানুষ কে দেখানোর জন্য। মানুষকে তাদের রং ঢং দেখিয়ে আনন্দ দিয়ে টাকা ইনকাম করাই হল মূল উদ্দশ্য।

একইভাবে একজন হ্যাকার মানুষে সামনে নিজেকে জনদরদী, ব্যবসায়ী, ছাত্র-শিক্ষক, শিল্পপতি আবার কখনো সুন্দরী নারী হিসাবে নিজেকে উপস্থাপন করে। তাদের মূল উদ্দেশ্য থাকে মানুষের গোপন তথ্য চুরি করা। তথ্য চুরি করার পর নিদ্ধারিত হয়, এ্যাকশন কী ধরনের হবে? হ্যাকার যখন শিক্ষক: একজন হ্যাকার কখন কখন শিক্ষক হয়ে কাউকে জ্ঞ্যানের ভাণ্ডারের মহাবিজ্ঞ বানিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে থাকে। তখন সে টার্গেট করা ভিক্টিমকে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা উপকরন সরবরাহ করে। দুর্লভ সফটওয়্যার ফ্রী সরবরাহ করে। বিভিন্ন ওয়েব লিঙ্ক দেয় ভিসিট করার জন্য। আসলে এগুলো করেই সে ভিক্টিমের পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নেয়। হ্যাকার তার সরবরাহকৃত সামগ্রীর সাথে ম্যালওয়ার যুক্ত করে দেয়। হ্যাকার যখন শিল্পপতি: শিল্পপতির মুখোশ পরে হ্যাকার রা বিভিন্ন্ মানুষের কাছে ইমেইল করে চাকরির প্রলোভন দেখায়। বায়োডাটা সাবমিট করার জন্য অনুরধ করে। হ্যাকার যখন ব্যাবসায়ী: হ্যাকারেরা ব্যাবসায়ী সেজে সাধারণ মানুষের কাছে ইমেইল পাঠায়। তাদের ইমেইলের ধরন হয়ে থাকে এ রকম, আপনি আমাদের কোম্পানির লটারি জিতেছেন বা আপনি যে পণ্যটি ক্রয় করতে চেয়েছে তার পেমেন্ট পরিশোধ করা হয়েছে। আপনার ঠিকানা ব্যক্তিগত তথ্য আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিন। অল্প দিনের মধ্যে আপনার কাছে আমাদের পণ্য পৌঁছে যাবে। আবার কখন কখন ব্যাংক থেকে স্টেটমেন্ট পাঠানো হয়। তাদের ফাঁদে পা দিলেই আপনার সকল তথ্য হারাবেন। হ্যাকার যখন সুন্দরী নারী: সুন্দরী নারীর বেশ ধরে আপনার সাথে বন্ধুত্ব করে আপনার তথ্য চুরি করা তাদের উদ্দেশ্য। এসব ক্ষেত্রে তারা আপনাকে ইমেইল পাঠাবে। সে একজন বিধবা নারী, তার ব্যাংক এক্যাউন্টে অনেক টাকা আছে তুলতে পারতেছে না আপনার সাহায্য প্রয়োজন। অথবা সুন্দরী নারী সে বাড়ী থেকে পালিয়েছে, তার এ্যাকাউন্টে অনেক টাকা আছে ক্যাশ উঠানো সম্ভব নয় কেবল মাত্র ব্যাংক টু ব্যাংক ট্র্যান্সফারই সম্ভব। এ ছাড়া মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশগুলোতে। অমুসলিম অধ্যুষিত দেশে থেকে ইমেইল আসে। যেমন লিবিয়া বা ইরাক থেকে আপানার কাছে ইমেইল আসতে পারে। গাদ্দাফির মেয়ে, বা ছেলের বউ টাকা তুলতে পারছে না।

ফরেনসিক সায়েন্স/বিজ্ঞানঃ

ফরেনসিক সায়েন্স বলতে আমরা যা বুঝি তা হল, অপরাধ বা দুর্ঘটনাস্থল থেকে নানারকম সূত্র বা ক্লু সংগ্রহ করা। এক কথায় ময়না তদন্ত বলা জেতে পারে। ফরেনসিক সায়েন্স দুই প্রকার।।

১। মেডিকেল ফরেনসিক।

২। ডিজিটাল ফরেনসিক।

# মেডিকেল ফরেন্সিকঃ

মেডিক্যাল ক্যাটেগরিতে কাজ করা বুঝায়, মৃতদেহ পরীক্ষা করে মৃত্যুর সময়, তারিখ, মৃত্যুর কারণ, মৃতদেহে কোনও অস্বাভাবিকতা আছে কি না ইত্যাদি বের করা এই মেডিক্যেল ফরেনসিকের কাজ।

# ডিজিটাল ফরেনসিকঃ 

কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে কোন অপরাধ সংঘটিত হলে বা মৃতদেহ পরীক্ষা করার পাশাপাশি তার কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোনেরও টিউনমর্টেম করা হয়। অর্থাৎ

* মিত্যুর সময়ে/আগে ভিক্টিমের সাথে কারো যোগাযোগ হয়েছিল কি না।

* ভিক্টিমের সংরক্ষিত ডাটা, কল লিস্ট, রেকর্ড, ফোন বুক, সব কিছুই খুটিয়ে দেখা হয়।

* ভিক্টিম কারো সাথে ইমেইল আদান প্রদান করে থাকলে তা দেখা হয়।

* ভিক্টিম সুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যা করেছে তার কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে সব তথ্য রিকভারি করা হয়। (ডিলেট করা অডিও, ভিডিও, কল লিস্ট, ইমেইল এমন কি ইউজার নেম পাসওয়ার্ড)। এগুলো ডিজিটাল ফরেন্সিল নামে পরিচিত।

অনাকিঙ্খিত দুর্ঘটনায় করনিয়ঃ

ডিজিটাল ফরেনসিকে নিযুক্ত আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কে সহযোগীতা, সঠিক তথ্য ও দ্রুত রিপোর্ট পাওয়ার জন্য যা করা প্রয়োজন।

* কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোনের সুইচ বন্ধ করে দিতে হবে।

* কেউ যেন কোন কিছু মুছতে বা নতুন কিছু ইন্সটাল করতে না পারে সেদিক লক্ষ রাখতে হবে।

* দ্রুততার সাথে আইন শৃঙ্খলা বাহিনির হাতে পৌঁছে দিতে হবে। (কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোন, মেমরি কার্ড, পেন্ড্রাইভ)

সারাংশঃ 

কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোন দিয়ে যাই করা হোক না কেন সব কিছুরই প্রমান থেকে যায়।

যেভাবে একজন ফরেনসিক এক্সপার্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়বেন

একজন ফরেনসিক এক্সপার্টকে মূলত একজন ডিজিটাল গোয়েন্দা হিসেবে বিবেচনা করা যায়, যিনি বিভিন্ন কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক, অ্যাপ্লিকেশন, ওয়েবসাইট এবং ডেটা স্টোরেজ থেকে বিভিন্ন ধরণের তথ্য অ্যানালাইসিস করে সেগুলো সংরক্ষণ করেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন সাইবার ক্রাইম, সাইবার থ্রেট, সাইবার অ্যাটাক, ম্যালওয়্যার অ্যাটাক এবং ইনফরমেশন অ্যাটাকের পর বিভিন্ন ট্রেস, কালার এম্বেজলার, ইনফরমেশন হার্ভেস্টিং এবং ইনফরমেশন টেস্টিংয়ের কাজ করে থাকেন।

সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন কোম্পানি ও অরগানাইজেশনে, বর্তমানে ফরেনসিক এক্সপার্টদের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছেই। চলুন জেনে আসি, কীভাবে একজন ফরেনসিক এক্সপার্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব।

একজন ফরেনসিক এক্সপার্ট কী কী কাজ করে থাকেন?

কোম্পানি বা অরগানাইজেশনভেদে একজন ফরেনসিক এক্সপার্টের কাজ ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। যদিও বেশিরভাগ অরগানাইজেশন বা কোম্পানিতে, একজন ফরেনসিক এক্সপার্টকে যেসব কাজ করতে হয়, সেগুলো দেখে নিন।

  • ডেটা ব্রিচিং পরিচালনা করা ও সিকিউরিটিজনিত সমস্যার তদন্ত করা।
  • বিভিন্ন ইলেকট্রনিক স্টোরেজ ডিভাইস (যেমন: পেনড্রাইভ, সিডি ড্রাইভ, হার্ড ড্রাইভ, মেমোরি কার্ড ইত্যাদি) থেকে তথ্য সংগ্রহ করা ও সেগুলো খতিয়ে দেখা।
  • বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস, কমিউনিকেশন মেথড ও সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশন থেকে হারানো তথ্য খুঁজে বের করা।
  • সাইবার অ্যাটাক, ম্যালওয়্যার অ্যাটাক, ভাইরাস অ্যাটাক এবং বিভিন্ন সাইবার থ্রেটের কারণে কম্প্রোমাইজড নেটওয়ার্ক ও সিস্টেম আইডেন্টিফাই করা।
  • আইনী কাজের সহায়তার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য জোগাড় করা।
  • টেকনিক্যাল রিপোর্ট, ডিক্লেয়ারেশন ট্রায়াল ও প্রিপারেশন ট্রায়াল তৈরি করা এবং সেগুলো ড্রাফট করা।
  • আইনী কাজে এটর্নির কাছে ইলেকট্রনিক প্রমাণপত্র দিয়ে সহায়তা করা।
  • কম্পিউটারের তথ্য জোগাড় করা ও সেগুলোকে সংরক্ষণ করার পদ্ধতিগুলো, অন্যান্য কম্পিউটার ও সাইবার ডিপার্টমেন্টকে শেখানো।
  • বিভিন্ন সফটওয়্যার মেথডোলজির উপর গবেষণা করা।
  • বিভিন্ন ক্ষেত্রে রেসপন্স ও রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতি ব্যবহার করা।

একজন ফরেনসিক এক্সপার্টের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

বিভিন্ন কোম্পানিতে ফরেনসিক এক্সপার্টদের ইনফরমেশন সিকিউরিটি ক্রাইম ইনভেস্টিগেটর, কম্পিউটার ফরেনসিক ইঞ্জিনিয়ার, ডিজিটাল ক্রাইম স্পেশালিস্ট, কম্পিউটার ফরেনসিক ইনভেস্টিগেটর, কম্পিউটার ফরেনসিক স্পেশালিস্ট, কম্পিউটার ফরেনসিক এক্সামিনার, ডিজিটাল ফরেনসিক টেকনিশিয়ান, ফরেনসিক অ্যানালিস্ট অথবা ফরেনসিক ম্যানেজার হিসেবে চাকরি দেয়া হয়।

একজন ফরেনসিক এক্সপার্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে, আপনাকে যেসকল বিষয়ে পারদর্শী হতে হবে সেগুলো হচ্ছে,

  • নেটওয়ার্কিং, নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন, টিসিপি/আইপি প্রটোকল, নেটওয়ার্ক ট্রেসিং ইত্যাদি সম্পর্কে দক্ষ হতে হবে।
  • উইন্ডোজ, ইউনিক্স, লিনাক্স এবং এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে দক্ষ হতে হবে।
  • সি, সি প্লাস প্লাস, সি শার্প, জাভা এবং পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার উপর দক্ষ হতে হবে।
  • কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সিস্টেম সম্পর্কে জানতে হবে।
  • অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটলেশন, প্যাচিং ও কনফিগারেশন করার দক্ষতা থাকতে হবে।
  • ব্যাকআপ ও আর্কাইভিং টেকনোলজি সম্পর্কে জানতে হবে।
  • ক্রিপ্টোগ্রাফির সূত্র, এসকেসি, পিকেসি এবং সাইফার সম্পর্কে জানতে হবে।
  • ই-ডিসকোভারি অ্যাপ্লিকেশনের (যেমন: এনইউআইএক্স, রিলেটিভিটি, ক্লিয়ারওয়েল ইত্যাদি) ব্যবহারের উপর যথেষ্ট পরিমাণ দক্ষ হতে হবে।
  • বিভিন্ন ধরণের ফরেনসিক সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনের কাজে দক্ষ হতে হবে।
  • এনকেইস, এফটিকে, হেলিক্স, সেলিব্রাইট,এক্সআরওয়াইয়ের মতো সফটওয়্যারের কাজ সম্পর্কে জানতে হবে।
  • ডেটা প্রসেসিং ও ইলেকট্রনিক ডিসক্লোসার এনভায়রনমেন্ট সম্পর্কে জানতে হবে।
  • এভিডেন্স হ্যান্ডেলিং প্রসিডিউর ও এসিপিও গাইডলাইন সম্পর্কে গভীর দক্ষতা থাকতে হবে।
  • ক্লাউড কম্পিউটিং ও ক্লাউড সার্ভার সম্পর্কে জানতে হবে।

উপরের দক্ষতাগুলো ছাড়াও, একজন ফরেনসিক এক্সপার্টের কিছু সাধারণ দক্ষতা থাকা উচিত।

বাকিটা পরের পর্বে 

 

About Ask me anything


Follow Me

Leave a reply

Captcha Click on image to update the captcha .